kobitay jagoron Twelfth Revelation

যারা অলংকিত করেছেন

১. বিজয় এলো:: জাকারিয়া আজাদ
২. আমিনুল ইসলাম মামুন
৩. বাসেত মুকুল
৪. জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়
৫. মোঃ বাদীউল আলম বাচ্ছু
৬. গোলাম রব্বানী টুপুল
৭. আফসার নিজাম
৮. কৃপাণ মৈত্র
৯.মোঃ আব্দুল মান্নান
১০. ড.নির্মল বর্মন-ডি.লিট
১১. ইদ্রিস রহমান
১২. আতাউর রহমান
১৩. সাহিদা রহমান মুন্নী
১৪. দালান জাহান
১৫. খোরশেদ আলম
১৬. আবু ইউসুফ সুমন
১৭. শক্তিপ্রসাদ ঘোষ
১৮.অভিলাষ মাহমুদ
১৯. নাসির ওয়াদেন
২০. সৈয়দ ময়নুল কবরী
২১. রুবেল হাবিব
২২. চিত্তরঞ্জন সাহা চিতু
২৩. জেইনাল আবেদীন চৌধুরী
২৪. নার্গিস পারভীন
২৫. শরিফুল আরেফিন খান
২৬. মোঃ আবদুল্লাহ আল রাফি কায়সার
২৭. নিরীহ খোকা
২৮. মোঃ জাহিদুল ইসলাম
২৯. বিদ্যুৎ ভৌমিক
৩০. শ্রাবন্তী বড়ুয়া
৩১. বৈদ্যনাথ ধাড়া
৩২. ইফতেখার অহিমেদ
৩৩. এম এ এইচ শাহীন
৩৪. হামিদ সরকার
৩৫. নূরনাহার নিপা
৩৬. জয়দেব মাইতি

kobitay jagoron Twelfth Revelation

download button kobitay jagoron

বিজয় এলো মুছে দুখের রেশটা
মুক্তো হলো ভয় কাটিয়ে দেশটা
এখন দেশে স্বাধীন পাখি উড়ে
মনটা দোলে রাখালিয়া সুরে

চাঁদ যে ছড়ায় উদার হয়ে আলো
কাটিয়ে সব অমানিশা কালো
বইছে বাতাস ছন্দ তালে তালে
সাদা বক ঐ উড়ছে পালে পালে

নেই কোন আর আকাশ জুড়ে
কালো মেঘের মেলা
বিজয় এলো এই খুশিতে
কাটিয়ে দেই বেলা ।

নতুন ধানের মিষ্টি ঘ্রাণে পূর্ণ গাঁয়ের ঘর
চাঁদের হাসি সবার ঠোঁটে খুব করেছে ভর।
নতুন ধানে চিঁড়া হবে ফুটবে সাদা খই
পিঠার ঘ্রাণে কিশোর শিশু করবে খুব হৈ চৈ।

সেই পিঠাতে ঘরে ঘরে হচ্ছে মজা কতো
গাঁয়ের বধু ব্যস্ত খুব আজ, পিঠার কাজে রত।
গরম পিঠায় জিভ তেঁতে যায় পিচ্চি খোকার, ইশ্
রসুই ঘরের ওপাশ থেকে দোয়েল বাজায় শিস।

খুকু দেখে দোয়েল নাচে, সে তাকিয়ে রয়
ভাবে- দোয়েল পিঠা খাবে, এমন যদি হয়!
খোকা বলে- ভাবনা রেখে খাস না পিঠাপুলি
চামচ দিয়ে দুজন মিলে রসের পিঠা তুলি।

আহ্ কী দারুণ! কী যে স্বাদের পিঠা নতুন চালে
এমন স্বাদের আর কিছু কি তুলছিলি তুই গালে?
শিশির মাখা হেমন্তকাল পিঠার স্বাদে আসে
পিঠার ঋতু হেমন্তকে সবাই ভালোবাসে।

রাত জাগা পাখির গুঞ্জন, ক্লান্ত শ্রান্ত এলানো শরীর।
ঘোর লাগা চোখে কান্নার ধ্বনি,
নিলাম্বরীর বুক চিরে এনে দাও
মুঠো মুঠো নীল।
জ্বলে যাক পুড়ে যাক
আসমুদ্র হিমাচল।

আজ আর কিছুই এসে যায় না, রিক্ত মনে সিক্ত হবার বাসনা জাগে না।
আকণ্ঠ নীল পানে নীলকন্ঠ হলেম।
প্রথম যৌবনে তারায় তারায় কবিতা লিখেছিলাম,
জোছনার সুরভী মেখে মাতাল হয়েছিলাম।

তটিনীর উন্মাতাল নৃত্যের ঝংকারে মুগ্ধতা রেখেছিলেম।
সেইসব সুখ জাগানিয়া স্মৃতির পাণ্ডুলিপি জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ছাইভস্ম উড়িয়ে দিলেম মুক্তাকাশে ।
মুক্তি মুক্তি….
মুক্তির উল্লাসে মঞ্চায়িত হোক জীবনের গান।

পাশবালিশটিকে আদরে কোলবালিশ বলায় তার দেমাক
দোলনায় গিয়ে বসে ইচ্ছেপূরণের গল্পে অভিমান
বেডরুম টু বাগানবিলাস — এপর্যন্ত শুনে যারা রং দেখেন
তারা কি বোঝেন কাঁটায় উদারতা গন্ধ নেই!
পায়ের তলার বেডশিটটিকে রাজকন্যার সখী মনে হলে
রূপকথার দোষ কী?
চাপাকান্নাগুলো মিলে যায় বালিশের অভিমান বা যন্ত্রণা
মধু এবং চন্দ্রকে পায় না তাই ঈর্ষা বিড়ালটি কাঁদে
আর নখরগুলিতে শান দেয়।

kobitay jagoron Twelfth Revelation

আজ শরতের দিবসে বকুল,হাসনাহেনা ,শিউলি ফুল ফুটেছে ,
শৈবালিনীর তীরে কাশবনে কাশফুল মলয়ের সাথে সাথে দুলছে,
রাঙ্গা মাঝি ভাটিয়ালি সুরে ঢেউয়ের তালে তালে বিরহের গান ধরেছে,
মাঝে মাঝে রবী লুকোচুরি খেলছে গগনের উড়ে যাওয়া কাদম্বিনীর সাথে,
আজ তোমাকে বড্ড বেশী অনুভব করছি তুমি নাই মোর পাশে,

আমি হারিয়ে যাই এক অবাস্তব স্বপ্নের মাঝে যেখানে তুমি বিরাজ করো সর্বদা,
জানি তুমি রেগে আছো কিন্তু কি করবো বলো আমি যে তোমায় বিষম ভালোবাসি,
আমি চেয়েছিলাম নীল নীলিমার নিচে, শিশিরভেজা ঘাসে,
তোমার হাতে হাত রেখে হাটতে হাটতে দূর দিগন্তে ঘুরে বেড়াতে,
আমি চেয়েছিলাম তোমার নয়নে নয়ন রেখে ভালোবাসার কথা বলতে,

আমি চেয়েছিলাম সবুজ ঝিলের পাশ দিয়ে ভালোবাসার গান গেয়ে হাটতে.
আবার গোঁধূলির আবছা আলোয় তোমাকে ভালোবাসার রঙ্গে রাঙ্গিয়ে দিতে,
আমার ইচ্ছে হতো তোমায় নিয়ে আমি হারিয়ে যাই রাঙ্গা মাঝির গানে,
আমার ইচ্ছে হতো তোমায় নিয়ে আমি হারিয়ে যাই শৈবালিনীর তীরে কাশবনে
আমার ইচ্ছে হতো তোমায় নিয়ে দিবানিশী স্বপ্ন দেখতে,
কিন্তু তুমি আমাকে তুচ্ছ মনে করে, দূরে অনেক দূরে ঠেলে দিলে,
কিন্তু এ সবই তোমার প্রত্যাখান, আমার অবাস্তব স্বপ্ন।
আমি পারিনি, সবাই পারে না, ভালোবাসার ভাষা বোঝাতে।
তবু এই টা সত্যি তুমি হৃদয় করেছো হরণ, চিত্ত চাইতো শুধুই তোমায় ভালবাসতে,
তুমি আমার হৃদয়ের গোপনে স্বযত্নে রাখা অপ্রকাশিত ভালবাসা।
সাবধান সুযোগ পেলেই নিরীহ থাবা আগুন হয়ে যাবে।

জানি এখনও কখনও জীবনের পৃষ্ঠা
উল্টাতে উল্টাতে আয়নায় রাখো চোখ
খোঁজো ত্বকের ভাঁজে ভাঁজে জীবনের ইতিকথা।
মনের বাগানে যে ফুল ফুটেছিল নীরবে
আমি জানি সেই সুখ, ব্যাকুলতা
মনেপড়ে সবই মনেপড়ে,
যখন আয়নায় চোখে রাখো চোখ।

কী সোহাগের চাদরে আদরে জড়ালে জীবন
মন তবু একুশে দাঁড়ায়, থামেনি লগন
ফিকে হয় দেহ-রঙ, চোখ তবু আয়নায়
ভাটির সঙ্গীতে মাঝি বায় নাও
যাও বেয়ে কত দূর যাও, শুধু গহীনের ভাবনায়
স্মৃতির সমুদ্রে অবগাহন, মনেপড়ে সবই
যখন আয়নায় চোখে রাখো চোখ।।

শাহনাজ !
সে এক নক্ষত্রজ্বলা দিবসের মতো তুমি আছো
আমার পৃথিবীর মতো সবুজ সৌন্দর্য্যরে ভেতর
তোমার গাঢ় কালো চোখের তারা মেলে দেখছো
আমার ব্যথাতুর অমাবস্যার অন্ধকার
আর হৃদয়ের হাকার
স্বপ্নের ভেতর ঝিনুকের মুক্তালাপে
কী পেয়েছো শাহনাজ
যুবতী সুর্যের আলো- যা নিয়ে গেছে নীলিমার প্রলাপ
আমি শুধু সমুদ্র নীলে একটি গাঙচিলের উড়াল দেখি
যে স্বপ্ন উড়ালে ভেসে আসবে তোমার উজ্জ্বল কণ্ঠস্বর
আর বাতাবি লেবুর মতো তোমার গালের গেলাব ছুয়ে
আমি প্রভুর দরজায় কড়া নাড়বো হৃদয়ের ভালোবাসায়।

kobitay jagoron Twelfth Revelation

শিশির লেগেছে দেখো কি সুন্দর গাছেতে
সূর্যকে আড়াল করি উবে যায় পাছেতে।
মৃদু হাওয়া বয় দেখো পূর্ব উত্তরে
অন্য ঋতুর সনে মেলেনা এ সুত্তরে।
সোনার বরণ ধান দু’বাহু বাড়ায়ে কয়,
সময় হয়েছে ওগো ঘরেতে তুলিয়া নাও।
শিউলি শিথিল বোঁটা সূর্য দেখেনা সে
পৃথিবী ভরিয়ে তোলে মনোরম সুবাসে।
গাছে গাছে ফুলে ফুলে কত মায়া কত দান
এসেছে ঘোমটা পরে মহারানী অঘ্রাণ।
খামারেতে লেপা ঘষা নবান্নের উৎসব
দুঃখীর বাসনা তৃপ্ত হেমন্তের মহোৎসব।

আমার প্রিয়া চাঁদতো নয়
দেখতে চাঁদের মত;
হাসলে সে আধো-আলোয়
মুক্তা ঝরে শত।

আমার প্রিয়া নদীতো নয়
বহে নদীর মত;
কেশ ছড়ালে রাতের কালোয়
হারে শশী যত।

আমার প্রিয়া আকাশ ও নয়
জ্বলে তারার মত;
ইচ্ছে হলেই লুকিয়ে যায়
জোনাকিদের মত।

আমার প্রিয়া রানীও নয়
মহারানীর মত.
ঘরে বসেই রাজ্য চালায়
ঝাঁসি রানীর মত।

আমার প্রিয়া খ্যাতিময়
দেশ জুড়ে কত?
না জেনে তাই তাঁকে আমি
ভালোবাসলাম অত?

আমার প্রিয়ার নিবাস নয়
নাম খুব ‘স্মার্ট’;
সাদা পাতায় দেখি আমি
তাঁর কাব্য হাট।

আমার প্রিয়া বসত শোনায়
বুড়িগঙ্গার তীরে;
খুঁজতে গিয়ে তাইতো আমি
হেরে গেলাম ভিরে।

প্রিয়া আমার বড়ই ভালো
লেখে সারি সারি;
বউ করিতাম ঐ প্রিয়াকে
পরত যদি শাড়ি।

করোনা কালে বাতাস ভৌতিক এলোমেলো
অবেলা কালবেলায় বন্ধ ছোখে দ্রাঘিমা সপর্শ করতে গিয়ে ফিরে আসা দিকশূন্যপুরে
একা জীবন অবসন্ন,মেদহীন স্মৃতিহীন
নির্জন দ্বীপে রয়েছে কেউ, চাঁদ আলো।
শুধু পথ চেনা যায়,নারী সঙ্গ ঘেরা আকাঙ্খা
শেষ প্রহরে সামনে আসে তীর এক।
অথচ অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে স্বাগত জানাতে,পৃথিবীর রস পেয়েছিল দীর্ঘকাল
আপাতত বুদ্ধিতে শীতল।

kobitay jagoron Twelfth Revelation

করোনা তুমি করেছো করুনা
সবেতে করেছো মালিশ
বধুরা এখন গৃহ বন্দী
শুনতে হয়না নালিশ।

নিজের কাজ নিজেই করে
নাই ঘরে দাস দাসী
তিন বেলাতেই গরম খাবার
খেতে হয়না আর বাসী
সপ্তাহে দু’দিন রেষ্টুরেন্টে
গুনতে হয়না বিল
বধুরা এখন কতই লক্ষ্মী
থাকে ঘরে দিয়ে খিল।

গাল ফুলিয় দেখায় না আর
বাপের বাড়ি যাবার গরজ
কমেছে সখীদের আনাগোনা
অনেকটা কমেছে খরচ।
তার পরেও করোনা তোরে
মনে দেইনা ঠাঁই
সর্বনাশা মহামারি তুই
এবার যা না ভাই।

সকলে মোরা সকলের তরে
বুকে দিয়েছি ঠাঁই
সুখে দুঃখে সকলে মোরা
একত্রে বাঁচতে চাই।

গরীবের পেটে ক্ষুধার আগুন
ক্যামনে ঘরে থাকে?
লগডাউন চলছে সারা দেশে
ওদের খবর কে রাখে?

বাঁচার জন্য কাঁদছে মানুষ
ঘরেতে নাই খাবার,
গরীবের এাণ চুরি করে
নেতারা করেছে সাবাড়”!

মধ্যবিত্তরাও লজ্জায় মরে
চাইতে পারে না খাবার
ইনকামের পথ বন্ধ তাদের
জুটছে না মুখে আহার।

কপাল গুণে কতেক গরীব
পেয়েছে কিছু এান
বাকী গরীব কাঁদছে ক্ষুধায়
কে বাঁচাবে প্রাণ?

গরীবের পেটে লাথি দিয়ে
করলে নামাজ, রোজা,
খোদার দরবারে হবে কি কবুল?
বাড়বে পাপের বোঝা।
তাই তো যারা বিত্তশালী
আছেন সমাজ নেতা
মধ্যবিত্ত,গরীবদের মাথায়
ধরি বাঁচার ছাতা।

kobitay jagoron Twelfth Revelation

খুঁজতে সু’জন বুঝতে সু’মন,
জীবন গেল আধা-
যায়না পাওয়া মনের চাওয়া,
মিছেই গোলক ধাঁধা!!
আবেগ গুলো বেগ পেয়ে যায়,
ভুলে গড়া শহরে-
ছোট্টো সুচে পুকুর খুঁড়ে,
মনটা ভরা জহরে!
আকাশ মেলে মেলেনা ছাদ,
বড্ড করুণ পরিহাস-
নিয়ন আলোয় অলীক জীবন,
সুখ খুঁজে যাই বারোমাস!!

চোখ থেকে নেমে আসে কুয়াশার নদীতে
সাতার কাটে সাদা রাজহাঁস
হিম ছোঁয়া নরম ডানায়
ভবিষ্যতের চিঠি লিখে হেমন্ত বাতাস।

সুদীর্ঘ প্রেমের ঋণে একটি রুপালি মাছ
জেলের ডিঙি ভেঙে ওড়ে যায় আকাশে
আঁচল ভরা অন্ধকারে জেগে ওঠে
থোকা থোকা স্মৃতি।

ঝাউগাছ মুখরিত পাখিদের বিয়ে
জলের যৌবন লিখে রাখে স্বচ্ছ আয়না
পৃথিবীর ক্লান্তি ভেঙে হেমন্ত আসে
পৃথিবীর ক্লান্তি ভেঙে হেমন্ত যায়

একটি দুটি তিনটি নয়
পুরো নয়টি মাস-
সবুজ ঘাসের মাঠগুলো
হলো জিন্দা লাশ।

টিক্কা খানের দানব সেনা
মরণ অস্ত্র হাতে
নদীর পানি লাল হলো
একাত্তরের রাতে।

বাংলা মায়ের দামাল ছেলে
সেদিন দিলো প্রাণ
রক্ত দিয়ে উড়িয়ে দিলো
বিজয়ের নিশান।

মুক্ত হলো দেশের মাটি
স্বাধীন হলো জাতী
বাংলা থেকে মুছে গেলো
আঁধার ঘেরা রাতি।

ছেলে হারা, ভাই হারা
স্বামী হারার ব্যথা
চোখ ভিজে শুনি যখন
একাত্তরের কথা।

মুজিব নামে রঙিন খামে
মায়ার ছবি আঁকা
হাজার নদী স্বাধীন দেশে
বইছে আঁকা-বাঁকা।

মর্ডানিজম গিলে ফেলা মানুষগুলোর রোগ
পর্দা নিয়ে আছে তাদের নানান অভিযোগ।
সকাল-সন্ধ্যা নারীর মুক্তি নারীর স্বাধীনতা-
নিয়ে তারা বলবে নানান রংবাহারি কথা।
তাদের থেকে একেক সময় একেকরকম বুলি
প্রস্তুতি নাও শুনবো এখন তাদের কথাগুলি।

“পর্দা করলে অনেক ক্ষতি নেইতো কোনো লাভ
‘পর্দা নাকি রক্ষাকবচ’ নোংরা মনোভাব!
হিজাব-নিকাব করা নারীর স্বাধীনতা হরণ
পর্দা হলো মধ্যযুগের রিসেন্ট সংস্করণ।
মধ্যযুগের এসব প্রথা, কেন এখন থাকবে?
ইচ্ছেমতো পোশাক দিয়ে নিজকে নারী ঢাকবে।

পরবে নারী ছোট্টো পোশাক থাকবে না আর ঘরে
শরীর দেখা পাতলা কাপড় পরবে সাহস করে।
ধর্ষণ হওয়ার কারণ মোটেই পোশাক-আশাক নয়
যদি হতো শিশু কেন ধর্ষিত আজ হয়?
পোশাকে কি শালীনতা? শালীন হবো মনে
তোমরা জানো? সমস্যা সব পর্দার আবরণে।
পর্দা ছাড়াই নারীরা আজ যাচ্ছে কাজে কর্মে
অহেতুকই বিধিনিষেধ যাচ্ছে দিয়ে ধর্মে।

ধর্ম হটাও তবেই হবে সকল কিছু হালাল-
এর বিরোধী তারাই যারা মৌলবাদীর দালাল।”
স্বাধীনতার নামে নারী হচ্ছো তুমি পণ্য
পর্দা করো আর কারো নয় মহান রবের জন্য।
রব বলেছেন বলেই হুজুর, বলেন- পর্দা করো
মডেলদের ওই পোশাক ছেড়ে শালীন পোশাক পরো।

পুরুষরাও চোখ নামাবে ফরজ এটা তাদের
ইসলামে নেই জায়গা কোনো, সো-কল্ড নারীবাদের।
দ্বীন পালনে কী বেনিফিট? আসল তো নয় এটা
ধর্ম মানেই আল্লাহ-রাসূল করতে বলেন যেটা।
তাই বেনিফিট থাক বা না থাক দ্বীনের বিধান মানবো
দ্বীন পালনের যুক্তি কি আর সকল সময় জানবো?
পর্দা করার কারণ বুঝি, আর না বুঝি; তবে-
এটা হলো ফরজ বিধান, পালন করতে হবে।

বিজয় দিবস, বিজয় দিবস
সবাই মিলে গাইছে গান
আনন্দেতে সবাই খুশি
ভরে আছে সবার প্রাণ।
পশু,পাখি, গাছপালা
সবাই নিয়ে ফুলের ডালা
বীর শহিদের স্মৃতিবেদীতে
পড়িয়ে দিচ্ছে বিজয়মালা।
পদ্মা, মেঘনা,পাহাড়, ক্ষেত
আনন্দেতে ভরে মন
হচ্ছে বিরাট আয়োজন
বিজয় দিবস হবে পালন।

হৃদাকাশে আবেগীমেঘ আর চারিদিকে মায়াবী প্রেমাতাল হাওয়া,
পরশ বুলিয়ে যায় তৃষিতরীরে,
দ্বিধা- মেঘের আড়ালে নীলের লুকোচুরি
বৃষ্টির ছোঁয়ায় জাগে রোমাঞ্চ।।
এই বরষায় নীরব আহবান,
আছি দুহাত বাড়িয়ে
বৃষ্টিস্নান সেরে দুজন
যাবো সব ছাড়িয়ে।।
মায়াবী এই রাতে
বৃষ্টির ফোটা করেছে মাতাল
অতৃপ্ত এই হৃদয়ে ফাগুনের শিহরণ,
মন আকাশে প্রণয়ীমেঘ দেখে
মনময়ূর নাচে উত্থাল- পাতাল।

প্রেমবৃষ্টির প্রতিটি কণা ছোঁবে আমার তৃষ্ণার্তশরীর।
থাকবো সীমাহীন আনন্দে সুখ-চাদরে,
এই রঙিন পৃথিবী
আমাকে রাখে প্রেমাদরে।

উলঙ্গ প্রলাপে ঢেকো না কুটিল চরিত্র
দুশ্চর অনুশীলন করে করেই
জোৎস্নার ঢেউ কথা বলছে পাঁজরে
তীব্র বিষজ্বর হেমন্তের শরীরে

ক্লান্ত নদীর মাতালঢেউ এসে
ছুঁয়ে যায় অনাঘ্রাতা বুক
জন্ম ভিখারি রোদের বনে ঢোকে
সবুরে সকালের ক্লান্ত হেমন্ত

জন্মঘরে , আদুরে দ্বিপ্রহরে

রাত্রিবেলা অবহেলার চাঁদ ঘাসের বুকে
বাউলের ভাঙাকণ্ঠের গান শোনে
গোমড়া আঁধার দিগন্তের ছায়া মেখে
পরাজিত পক্ষীর স্বর খোঁজে হেমন্তের চৌহদ্দিতে

স্বাধীন দেশের দামাল ছেলে স্বাধীন কেমনে হলো?
স্বাধীনতার পতাকা কেমনে গিলে গিলে খেলো?
কেবা কারা দিচ্ছে তাড়া–?
ভাসছে কেন প্রখর খড়া–?
আমার দেশের সোনার গড়া স্বাস্থ্যখাতে ওরা কারা?
দেখ চেয়ে ওই দানবের চোখের কোণে বিষে ভরা!
কিসের তরে যোদ্ধ করে লড়েচিলো বাহুবলে?
কিসের আশে কিসের দিশে রক্ত ভাসায় মাটি-মূলে!
হয়নি আজও স্বাধীন এ দেশ!
পায়নি আজও যোগ্যতা বেশ!
নেই দেখি সেই শীতলপাটি নেই আয়েশে পরিপাটি
নেই দেখি সেই ভালোবাসা’র মাঝির ডিঙি-লাটি!
কোথায় আজি মুজিব জিয়া কোথায় বাঙালি বীর?
কোথায় আজি ভাসানী ওসমানী কেন এ জাতিস্থীর?
কোথায় হারালো বাঙালি সেনা -?
বাজে না কেন বিদ্রোহী বেণা -?
স্থবিরতা জীর্ণতা আজ ঢাকিয়াছে কেন বঙ্গ-ভূমি -?
স্বাধীনতার যুদ্ধজয়ে, পরাজয়ের ভাগে জন্মভূমি।

kobitay jagoron Twelfth Revelation

ঢোল বাজেনা উনি বাজান
বাজান আমার তুমি বাজান
তুমিই আমার জান
গাইতে গাইতে গান।

গানের সুরে ময়না টিয়া
নাচে মাথায় টোপর দিয়া
তাধিন তাধিন ধিন
লংকা থেকে চীন।

আকাশ জুড়ে মেঘের মেলা
ভাসান তিনি রঙের খেলা
উথালপাথাল ঝড়
ঘরের মাঝে ঘর।

এক্কা দোক্কা চৌকা সুরে
ছি কুতকুত মৌকা ছুঁড়ে
ছু কিলবিল চিল
দিল ঢিল ঢিল দিল।

বইছে হাওয়া মেরু মুখী
গরুর গাড়ি পেরু ফুঁকি
ফুড়ুৎ ফুড়ুৎ ফুৎ
খা সাহেব আর নাবাবজাদা
যেমন তাদের স্বভাব বাঁধা
সুড়ুৎ সুড়ুৎ সুৎ।

যেখানে যারে জড়ায়ে ধরি সেই দিয়ে যায় ফাকি,
তবু বেঁচে থাকি বারবার নতুন স্বপ্ন বুকে আঁকি।
এইতো সেদিন তোমার হাতে সঁপে ছিলাম আমাদের আদরের আশা,
কত আশা নিয়ে বুক বেধেঁ ছিলাম দেখে তোমাদের ভালোবাসা।
তোমাদের কুল জুড়ে যখন এলো নয়নের ধন আদর,
সকলেই যেনো কত আনন্দিত হলো শুনে সেই সুখবর।
আশা-আলী’র ঘরে এলো নতুন প্রদ্বীপের আলো,
একই সাথে আমাদের হৃদয় খুশিতে পুলকিত হলো।

আশার আলো আলীর প্রদ্বীপে ঘর ঝলমল করে,
আদরীয় আদরকে আরো একটু আদর দিতে আলী প্রবাসী হলো।
কিভাবে এতো দ্রুত আদরের জীবনকে ফাঁকি দিয়ে আলী চলে গেলো?
সেই সে সুন্দর আশা’র নয়ণ আঁখি জলে আজ ভরা,
আদরের মুখপানে চাহিতে গেলে বুকের পাঁজর ভেঙ্গে হয়ে যায় গুরা।
কত আদরের আশার প্রদ্বীপ আলী নিভে গেলো,
আদরের মুখের উচ্ছল ভাষা স্তম্ভিত হলো।

বিধাতার বিধান বুঝে কার সাধ্যি, কোন প্রদ্বীপ জলে আবার কোন প্রদ্বীপ নিভে যায়,
তবুও আমাদের বেঁচে থাকতে হয় সুধু বেঁচে থাকার আশায়।
আমার মামনীর সুন্দর মুখটিতে চিরতরের আঁধার এলো,
ঠিক তেমনি আদরের জীবনে পিতৃ অভাব হলো।
দুনিয়ার সমস্ত সম্পদেও এই অভাব মিটিবে না কভু,
কি যে কষ্ট বুক ফেটে যায়, ওগো দয়াময় প্রভু!

আদর তোমার নিরবতা আজ তোমার মামা নিরবের প্রতিচ্ছবি,
আট বছর আগের এমন ঝড়ে আঁধারে ঢেকেছিলো আমাদের রবি।
যেটুকু আলো ধীরে ধীরে আসছিলো অন্ধকারের বুক চিড়ে,
ওগো প্রভু তুমি সেই আলোটুকুও আবার নিলে কেঁড়ে?
হাতজোড়করি দয়া চাই প্রভু করো ক্ষমা তুমি মোদের,
যা দিয়েছো তুমি সহ্য করার ক্ষমতাটুকুও তুমি দিও মোদের।
বেদনার স্মৃতি মুছে দিয়ে তুমি ধৈর্য্যের শক্তিটুকু দিও,
প্রিয়মুখগুলো হাড়ানোর কিযে বেদনা তাহা কি বুঝিবে কেও?

যে হাড়িয়েছে সেই সুধু বুঝে হাড়ানোর কি যে ব্যথা,
আমার জীবনের প্রতিটি কষ্ট দিয়ে আমার এই লেখা।
নিরবের নিরবতা কাঁটাতে করেছিলাম যে পণ,
আজ থেকে প্রভু আদরের আদর রাখতে করিলাম আরোও একটি এমন পণ।
তুমি সুধু মোরে শক্তি দিও এইটুকুই মোর চাওয়া,
যত বাঁধাই আসুক ভেঙ্গে যেনো না যায় মোর পণ এই টুকু করো দয়া।

আমার এদেশ মায়ের মত আমার এদেশ প্রান,
আমার এদেশ উদাস করা মিষ্টি ফুলের ঘ্রান।
আমার এদেশ আকাশ জুড়ে লক্ষ তারার মেলা,
জল থই থই নদীর বুকে হাজার মাছের খেলা।

আমার এদেশ শষ্য শ্যামল বিরাম সবুজ মাঠ,
আমার এদেশ চোখ জুড়ানো গাঁও গেরামের ঘাট।
আমার এদেশ ছোট্ট শিশুর মিষ্টি মুখের হাসি,
আমার এদেশ আকুল করা রাখাল ছেলের বাঁশি।

আমার এদেশ বর্ষাকালে সােনা ব্যাঙের ডাক,
আমার এদেশ নদীর ধারে শত পাখীর ঝাক।
আমার এদেশ দুষ্টু ছেলের নানান ছবি আঁকা,
আমার এদেশ পরম সুখে দেশের বুকে থাকা।

আমার এদেশ মায়ের বুকে শান্তি সুখ পাওয়া,
আমার এদেশ মনটা খুলে দেশের গানটি গাওয়া।
আমার এদেশ একাত্তরে দেশের বিজয় আনা,
আমার এদেশ নতুন করে আমার এদেশ জানা।

একি বসন্ত নাকি হেমন্ত?
ভেবেই পাই না আমি বিভ্রান্ত!
তুমিই বলো সখা এখন কোন কাল?
হেসেই দিল ডুবি ডুবি সূর্য এক গাল!

সারা মন বলছে আজ সুখ সুখ!
আড়ালে লুকিয়ে ও কার মুখ?
ধরা দেব ধরা দেব দেবই ধরা!
অপলক তাকিয়ে সে এক বর্ণচোরা!

এই যে তরুণ! চিনেছি তোমার প্রেমভরা বুক-
সারাক্ষণ বাজে বুকের বীণায় প্রেম ধুকপুক!
পানকৌড়ি-মন দেবেই ডুব দেবেই ডুব!
জলভরা নদীরও আমাকে ছুঁয়ে দেবার ইচ্ছে খুব।

কে ডাকে পরাতে নাকে কনকবরণ হৈমন্তী বুনোফুল!
হালকা বাতাসে পলকা ফড়িং ধ্রুপদী নাচে মশগুল।
দিগন্ত-অপ্সরা পরেছে ঘাগরা অপরূপ ঝলমল!
আনচান মনপ্রাণ ঝরে ভালোবাসা অস্থির নির্মল!

নেশা’র মত ঘুম হয়
ভাংতেও ইচ্ছে করে না
গতকালকের সব ঘটনাই ভুলে যাচ্ছি, একদিন পরেই
মাঝে মাঝে রাগও হয়
ভয়ংকর রাগ
কোথাকার কোন অনির্দিষ্ট রাগ সারাক্ষণ ধিকি ধিকি জ্বলছে
ক্লান্ত করে দিচ্ছে
কিছুই করার নেই
কি করব, কি করা যায়
আবার শুয়ে পড়ব?

সারাদিন ঘুমানোর পর আর কি ঘুম আসবে?
তেমন রাত হয়নি
রাত্রি এখনও যথেষ্ট তরুণী
জীবন সংক্ষিপ্ত, যেটুকু সময় পাওয়া যায়
বুকের অনেক ভেতরে কিছু কথা থাকে
বলা হয় না
বলবার সেই মানুষটির সাথে
কারও দেখা হয় না
সবাই একটি রুপহীন জীবন
শুধু শুধু খরচ করে যাচ্ছে
ভূতুরে লকডাউনে

বিদ্রোহী বীর
ধুসর ধরিত্রী ধুলোয় কালো
নষ্ট পৃথিবীর।

খেঁকো অভিজাত ক্ষুধায় কাতর
অভিলাষ নীড়
বিত্তবান নও শুধু বিত্তবান
মহাউঁচু শির।

তুমি বিদ্রোহী হতে যেওনা
পশুদের ভীরে
খাপ্ঞে ধরে ওরা হিংস্রতায়
পিচ্ছিল তীরে।

এক সময়ে সোনার ধানে
ভরে যেত গাঁ,
রাত দুপুরে সব বাড়িতে
নবান্ন পিঠা।
হাসি খুশি প্রতিবেশি
চলত শত স্বজন প্রীতি।
লোভ-লালসা হিংসা-দ্বেষ
থাকত না তো এক লেশ।

হঠাৎ যদি ফিরে পেতাম
হেমন্ততে ধন্য হতাম।

অন্যথায় এভাবে কথা ব’ললেই;
মাধ্যাকর্ষণের অন্য রকম আছোয়া বাণী অন্ধ হয়ে যায়
কি এক আক্ষরিক অনুভূতি গুলো পথ ভুলে
মৃত্যু নামক এক অশরীর মাদুর বিছিয়ে দিয়ে ভাগ্যকে
পরিহাস করছিল নিরুত্তর চোখে চোখে!
এখানে আমিও পৃথিবীহীন একক নিঃসঙ্গ
নির্ঘুমে বাতাস ফিরেছে বিষ বুকে নিয়ে,—-
কাল মধ্যরাতে বৃষ্টি হয়ে ছিল!

স্বপ্নের আঁধার পেতে সরল ঠোঁটের মধ্যে ঝুলে ছিল অন্তর্গত স্মৃতি
সারারাত ধরে বৃষ্টিতে বৃষ্টিতে কেটেছে প্রহর!
অন্যথায় মহাশূন্যের ভেতর চাঁদ,
ফুল, তারাদের মন তিন রাস্তার কবিতা
এবং কিছু অন্য মুখের গল্প শুনতে শুনতে ঘুমিয়ে পড়ে ছিল
ওধারে চোখ ভাসিয়ে শ্রাবণ এসে ছিল

আত্মিক অনুরাগে রাস্তার ছায়া শরীর গুলো একসাথে হেটেছিল, বাঁচার ইচ্ছায় !
নিজস্ব বিজ্ঞাপন থেকে নগ্ন দেহ গুলো জ্বর, থুতু , অন্য অসুখ ,
এদেরকে ভিখারি করে রেখে গেছে শ্মশান চত্বরে ।
এভাবেই বৃষ্টি হ’লেই দুচোখ এগিয়ে দেই প্রতিশোধহীন
তাই ভালোবাসার জন্য শূন্য থেকে লাফিয়ে পড়ে ইচ্ছা করে;
মৃত্যুকে ঈশ্বর বানিয়ে দেব!

কোথাকার অন্ধকারে আমিও অদেখা ছিলাম
সেই নিষ্ঠুর চোখ গুলো পরলৌকিক স্বপ্ন নিয়ে নিষেধহীন নির্বাসনে চলে গেছে কবে
সেখানে কেউ একজন মৃত্যুপণ চেয়ে বসে ছিল কালক্ষেপ না করে
হঠাৎ এসময় মৃত্যুর মতো স্তব্ধ হয়ে আছে বাতাস
এই প্রিয় জীবন পার্থিব ম্যাজিকের টানে কবেকার দর্পণে একমনে রেখেছিল;
পৃথিবীর সমস্ত প্রাণের স্মৃতি শরীর!!

জানো, আজ আকাশটা একদম পরিস্কার,
চলে গিয়েছে সব মেঘ হিমালয়ের দিকে …
সে জন্যেই তো বৃষ্টি হয়েছে রংপুরে,
৪০০ মিলি মিটার ১০০ বছরের রেকর্ড ..!!

দেখা যাচ্ছে সেই তাঁরা গুলো আজ
কার্তিকের আকাশে,যা
মাঝে মাঝে দেখা দিতো..!!

ছিলোনা সময় যৌবনকালে আকাশের দিকে
তাকানোর,যেনো সময়ের অপচয় মনে হতো !
ব্যাবসায়র চিন্তা সকাল থেকে ঘুম পর্যন্ত !!

জীবনের এই শেষ দিকে মনে পড়ে তোমার মুখ খানি,
মনে পড়ে তোমার মুখ খানি যেনো কাশফুলের শুভ্রতা !!
জানি এখন দেখতে হবে আকাশ গভীর রাতে !
বসে বারান্দায় চুপটি করে জ্বলন্ত বিড়ি হাতে ..!!

সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্নে
বিভোর ছিলেন তিনি,
বাংলার বুকে আজো বাজে সেই
বজ্র কণ্ঠের প্রতিধ্বনি।

জাতির পিতার অসমাপ্ত
স্বপ্ন পূরণ করতে,
কন্যা তাঁহার এলেন এগিয়ে
দেশের হাল ধরতে।

সুযোগ্য নেত্রীত্বে তাঁর
যাচ্ছে এগিয়ে দেশ,
বিশ্বের রোলমডেল এখন
আমার বাংলাদেশ।

সমৃদ্ধির স্বর্ণ শিখরে
পৌঁছে দিতে দেশকে,
দিবারাত্রি করছেন কাজ
অবিচল তিনি লক্ষ্যে।

নারী শিক্ষার উন্নয়ন ও
নারীর ক্ষমতায়নে,
এগিয়ে যাচ্ছে বাংলার নারী
শিক্ষা, মেধা ও মননে।

জন্মদিনের শুভলগ্নে
অশেষ শুভকামনা,
কর্মময় দীর্ঘ জীবন লভুক
প্রিয় নেত্রী শেখ হাসিনা।

অনেক অনেক প্রীতি- শুভেচ্ছা
শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা,
উন্নত দেশ দেবেন উপহার
এটাই সবার আশা।

kobitay jagoron Twelfth Revelation

কথায় কথায় ফানুস উড়ে
ভাবছে কে আর কার কথা,
দারুণ দিনে পায়নি খেতে
বুঝবে কে আর তার ব্যথা।

বলছি কেন এসব কথা
জানতে মনে দেয় উঁকি,
দিনকাল তো অন্য রকম
পথ চলতে খুব ঝুঁকি।

লোভ তো এখন সবার মনে
চাপতে পারার লাগাম কই,
তাই তো ভাবি এবার পুজোয়
মায়ের শুলে বিদ্ধ হই।

ভোটের সময় ভোট বাবুরা
হাত মেলাতে হাত বাড়ায়,
রক্ত মাংসে আমরা মানুষ
তফাৎ শুধু শিরদাঁড়ায়।

১৬ই ডিসেম্বর-অমিদের মহান বিজয় দিবস,
এদিনে বাঙালীর মনে জাগে উতসাহ-সাহস।
লাখ লাখ বাঙ্গালীর রক্ত করে খয়,
অর্জিত হয় ঐদিন বাংলার জয়।

বাঙালী জাতীর একাগ্রতা দেখেছি সেদিন ‘৭১ সালে,
মুক্তিযুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়ে লাখ মানুষ দলে দলে।
২৬শে মার্চ থেকে যুদ্ধ চলে দীর্ঘ ৯ মাস,
পাক হানাদার বাহিনী করে সর্বত্রই সন্ত্রাস।

৩০ লাখ মানুষের হয় যখন জীবন বিসর্জন,
পাক হানাদার বাহিনী করে তখন আত্মসমর্পণ।।
যাদের তাজা রক্তের বিনিময় এলো বাঙ্গালীর স্বাধীনতা,
ভুলবোনা কভু সেই বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কথা।

এদেশ পরাধীন থেকে স্বাধীন হয়েছে হয়তো,
জীবনের স্বাধীনতা সবে অর্জিত হয়নি আজও।
আজও দিতে হচ্ছে মানুষকে তাদের মূল্যবান জীবন,
যে জীবন হারানোর পেছনে নেই কোন কারন।

বেড়েই চলছে কেবল নির্মমতা,অসভ্যতা,বর্বরতা,
মিছে আজ তাই আমাদের অর্জিত সেই স্বাধীনতা।
আমরা হচ্ছি আজ লাঞ্চিত,অপমানিত কলংকিত,
বিজয় দিবস এলেই কেবল হই কিছুটা জাগ্রত।

ফরিদপুর মহকুমারএকটি প্রত্যন্ত গ্রাম টুঙ্গিপাড়া বাবার নাম শেখ লুৎফুর রহমান, মা সায়েরা খাতুন আদর করে ডাকতেন খোকা বলে প্রকৃত নাম ছিলো শেখ মুজিবুর রহমান,নিজ প্রচেষ্টায় পরবর্তীতে জাতীয় নেতায় হন তিনি সাহসে অসীম সাহসী এবং তারুণ্যসুলভ চমক দেখিয়ে অমনিশা আধারে আলোর ঝলক একটি জাতির স্বপ্নদ্রষ্টা দুর্দিনে এগিয়ে যাবার প্রেরণা পেক্ষাপটে নির্যাতিত নিপীড়িত বাঙালী জাতির মুক্তির মহা।
নায়কের শক্তিতে আবির্ভাব হওয়া স্বাধীন বাংলা প্রতিষ্ঠায় ন্যায্যতা মুলক মন্ত্রে উজ্জীবিত যার একটি ডাকে মুক্তিপাগল সমগ্র জাতি এক হয়ে মহা সমুদ্রে পরিণত হয় ও স্বাধিকার আন্দোলনে ঝাঁপিয়েপরে জাতপাত ধর্ম বর্ণ ভেদাভেদহীনতা ভুলে গিয়ে স্বাধীন স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ার কাজে নিয়োজিত ছিলেন পরিবার পরিজন রেখে যাঁর নেতৃত্বদান তিনি বাঙালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। অসহায় তদানীন্তন পূর্ব বাংলার নামে এদেশে চলছিল ক্ষমতালিপসু পাকিস্তানীদের কায়েমি দুঃশাসন বাংলাভাষী জনগণের ছিলনা কোন মুল্যায়ন আমাদের বাঙালীরা নিজের প্রাপ্য অধিকার মান সম্মান রক্ষা করে বাচঁতে সর্বদা

সে আকাঙ্ক্ষা একবুক ভালবাসার আশা ভেঙ্গে
পশ্চিম পাকিস্তানি হায়েনাদের চাপিয়ে দেয়া ও এদেশীয় এজেন্ট রাজাকার আল বদর আল শামস নাম ধারীদের যোগশাজসে ১৯৭১ সালে অপারেশন সার্চলাইট নামে খ্যাত রাতের আধারে এক তরফা যুদ্ধে প্রচুর ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন ঘুমন্ত এই জাতি। নয়মাস রাতদিন ধরে চলেএই যুদ্ধ একসাগর রক্তের বিনিময়ে ত্রিশলাখ শহীদের বীরোচিত আত্মদানে অর্জিত হয় লাল সবুজের পতাকা খচিত আমার প্রিয় মাতৃভুমি সোনার বাংলাদেশ। আর বিশ্ব দুনিয়া অবাক বিস্ময়ে দেখলো বীর বাঙালী জাতির বীরত্ব।
এদেশকে ভালবেসে শেখ মুজিব জীবন ও দেন।যিনি সারা জীবন বাঙালী জাতির মুক্তির জন্য সংগ্রাম করেছেন।

kobitay jagoron Twelfth Revelation

বঙ্গবন্ধু নিজের জীবন বাজি রেখে বাঙালী জাতিকে একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র উপহার দিয়েছেন।কিন্তু ঘাতকেরা শোকাবহ ১৫ই আগষ্ঠ বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মাধ্যমে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রাকে স্তব্ধ করে দিয়েছিল। এখন তাঁরই কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা’র হাত ধরে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। ঘাতকেরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করতে পারলেও তাঁর আদর্শ ও চেতনাকে হত্যা করতে পারে নি। তাই বঙ্গবন্ধু প্রতিটি বাঙ্গালীর হৃদয়ে অমর এবং চির জাগ্রত যতদিন বাংলাদেশ থাকবে ততদিন বঙ্গবন্ধুর চেতনা ও আদর্শ অম্লান থাকবে।পরিশেষে বলতে চাই বঙ্গবন্ধু ছিলেন ইতিহাসের ক্ষণজন্মা একটি নেতা,একটি পূর্ব দিগন্তের উদীয়মান সূর্য যাঁর আত্ম চিৎকারে হায়েনারা ক্ষেপেছে থরথরকরে।

মানব হায়েনার সামনে তিনি ছিলেন বাঘ মুক্তিযুদ্ধের মহানায়ক,বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালীর নেতা ছিলেননা তিনি ছিলেন বিশ্বনেতা এখনো এর অগণিত বাস্তবতা উপলব্ধি হয় দিনরাত ধরে জাতি সমাজ সংসারে। প্রতিবাদী এই অসাধারণ ব্যক্তিত্ব মহান আল্লাহ্ ছাড়া আর কাছে মাথা নত করতে শিখেননি তাঁর আদর্শ চেতনা আমাদের প্রেরণা যোগায় মাথা উচু করে বিশ্ব দরবারে দূর বহুদূরে.এগিয়ে যেথে।

তুমি কী আমার প্রেমে পড়েছ?
যেটাই বলছি, সেটাতেই দিচ্ছো সায়,
ভাল-মন্দ, শুদ্ধ-ভুল কোনোটার
করছো না ভেদ,
প্রেম প্রাচীরের আড়ালে নিদারুন রূঢ় কষ্ট,
চলার পথটা পিচ্ছিল, এগুলে হবে ষ্পষ্ট।

প্রেমই করে এলোমেলো, আবার ভালবাসায় শুদ্ধতা,
রঙিন স্বপ্নিল ভাবনা, সাথে প্রত্যাশা।
প্রেমে বসন্ত আছে, বোশেখি দূরন্ত ঝড়,
অর্জনে প্রশান্তি, অবিশ্বাসে যাযাবর।
সুখের সোনালী পরশ খোঁজে অবিরত,
ব্যর্থতা ক্লান্তি আনে, হৃদয়কে করে ক্ষত।

স্বার্থহীন একটু ছোঁয়ায় পরিবর্তনের সুখ,
পিপাসার্ত হৃদয় ভরে ফোটাজলে বুক।
ক্লান্তির মাঝেও হৃদয়ের পরম প্রাপ্তি,
চড়াইউৎরাই পেরুলেই এক নতুন ভোর।

বাংলার প্রিয় নেতা শেখ মুজিবুর
যাঁর কন্ঠে ছিলো এক সংগ্রামী সুর।
মুজিবের সংগ্রামে হানাদার ক্ষুদ্ধ
বাঙালি নয়মাস করেছিলো যুদ্ধ।
পতাকার মান বাঁচাতে ধরলো জীবন বাজি,
বাঙালিরা স্বপ্নপূরনে হয়েছিলো রাজি।
বঙ্গবন্ধু দেশের জন্য প্রাণপণ লড়লো
বুকের তাজারক্তে এদেশকে গড়লো।
শত্রু বিনাস হলো এক নদী রক্তের দানে
স্বাধীনতা ছিনিয়ে এনেছিল তক্তের টানে,
হানাদারের গুলিতে ঘরখানিতে শোকের ঘোর
সেই ভয়ংকর কালো রাত পেরিয়ে হয়েছিল ভোর।

মানব জনম না নিলে – আমি অবশ্যই বক হতে চাইতাম–
উড়তে চাওয়া,জলের মধ্যে শিকার খোঁজা স্বাভাবিক হলেও –
মেঘের সঙ্গে বন্ধুত্ব করাই আমার লক্ষ্য হয়ে উঠত।
তার সুখ দুঃখের গল্পের সঙ্গে নিজেকে মিলিয়ে দিতাম অনায়াসে —

তারপর আমি আর মেঘ কিংবা মেঘ আর আমি,
দুজনে মিলে শরত আকাশে লিখে ফেলতাম ভালোবাসার গল্প।

একদিন কাশ আর শিউলি হেসে উঠলে-
অপূ দূর্গা- কু-ঝিকঝিক রেলগাড়ী আর মায়ের আবাহনে ভেসে উঠে শরৎ আর সাদা বক

Facebook Comments