bangla poem shahida rahman

কবি সাহিদা রহমান মুন্নী এর পরিচিতিঃ

Rating: 5 out of 5.
bangla poem shahida rahman
Shahida-Rahman-Munney-poe

স্বনামধন্য কবি সাহিদা রহমান মুন্নী জন্ম ১৯৭৮ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি রংপুর সি,এম এইচ হাসপাতালে। তার পিতার নাম আলহাজ হাফিজুর রহমান সরকার এবং মাতার নাম আলহাজ রাজিয়া সুলতানা। তিন ভাই ও পাঁচ বোনের মধ্যে তিনি ষষ্ঠ।

কবি সাহিদা রহমান মুন্নী তার শিক্ষা জীবনে ২০০১ সালে মাস্টার্স সম্পন্ন করেন। বর্তমানে তিনি লিটল ম্যাগাজিন কবিতায় জাগরণ এর সম্পাদকের দায়িত্ব পালন এর পাশাপাশি দুই সন্তান কে নিয়ে স্বামীর সংসার করছেন।

কবি সাহিদা রহমান মুন্নী সাহিত্যের সকল শাখাতেই রয়েছে তার সরব উপস্থিতি। তার গীতি-কবিতা বিশেষ মনোযোগ দাবী করে পাঠকের। সরলভাবে এগিয়ে চলে তার কবিতার প্রতিটি চরণ। অধিকতর সুন্দর ও সৃষ্টিশীল সমাজ বিনির্মানের উদ্দেশ্যেই মুলত ছড়া, উপন্যাস, কবিতা, গল্প, গান, গ্রন্থালোচনা লিমেরিক প্রভৃতি বিষয়ে লিখতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।
সাহিত্যমনা এই কবি পঞ্চম শ্রেনী থেকেই লেখালেখি শুরু করেন ১৯৯০ “সৃতি একাত্তর পত্রিকা” এ তার প্রথম লেখা প্রকাশিত হয়। ভ্রমন পিপাসু এই মানুষটি ইতিমধ্যে ভারত, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, মালয়শিয়া, ইন্দোনেশিয়া, সৌদি আরব সহ আরো অনেক দেশে ঘুরে বেড়িয়েছেন।

প্রকাশিত গ্রন্থঃ

১. জোনাকীর আলো (কবিতা গ্রন্থ-২০০৬)
২. এবং ও অতএব (কবিতা গ্রন্থ -২০০৭ ইং)
৩. যোগ বিয়োগ গুন ভাগ= বিফল (কবিতা গ্রন্থ -২০০৯)
৪. পাতা ঝড়ার সময় (কবিতা গ্রন্থ -২০১০)
৫. তবুও দেখতে হবে স্বপ্ন (কবিতা গ্রন্থ -২০১৩)
৬. নাচে ফড়িং তিড়িং বিড়িং (ছড়া-২০১৫)
৭. বিদগ্ধ যন্ত্রনা (উপন্যাস-২০১৫)
৮. অনুভবে তুমি (ভালোবাসার লিরিক-২০১৫)

  • bangla poem shahida rahman
  • bangla poem shahida rahman
  • bangla poem shahida rahman
  • bangla poem shahida rahman

সাংগঠনিক কার্যক্রমঃ

সদস্য- চট্টগ্রাম লেডিস ক্লাব
আজীবন সদস্য- রোগী কল্যান সমতি
ট্রেজার- এভার গ্রীন লায়ন্স ক্লাব
সহ-সভাপতি – নাগরিক অধিকার বাস্তবায়ন কমিটি
আজীবন সদস্য- চট্টগ্রাম একাডেমী
আজীবন সদস্য- চট্টগ্রাম মহিলা সমিতি
আজীবন সদস্য- চট্টগ্রাম লেখিকা সংঘ

পুরস্কার ও সম্মাননাঃ

(১) লিটল ম্যাগাজিন সম্পাদনায় বিশেষ অবদানের জন্য সাধীনতা স্মারক সম্মাননা-
(২) মহা কবি আলাওল গুণিজন সন্মাননা- ২০১৩
(৩) বীর চট্টগ্রাম মঞ্চ থেকে লেখক সম্মাননা- ২০১১
(৪) কবি নজরুল সাহিত্য সন্মাননা-২০১৩
(৫) আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা স্মারক গুণীজন সম্মাননা-২০১৫
(৬) বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন,কবি বেগম সুফিয়া কামাল সম্মাননা স্মারক-২০১৫
(৭) ভিন্নমাত্রা এ্যাওয়ার্ড-২০১৩
(৮) স্বাধীনতা স্মারক সম্মাননা পান্ডুলিপি সংগঠন থেকে-২০১৪
(৯)বাহন গোলটেবিল বৈঠক স্মারকপত্র-২০১৫

  • bangla poem shahida rahman
  • bangla poem shahida rahman
  • bangla poem shahida rahman
  • bangla poem shahida rahman
  • bangla poem shahida rahman
  • bangla poem shahida rahman
  • bangla poem shahida rahman
  • bangla poem shahida rahman
  • bangla poem shahida rahman

সম্পাদিত পত্রিকা ও ম্যাগাজিনঃ

সম্পাদক- কবিতায় জাগরণ (ত্রৈমাসিক লিটল ম্যাগাজিন) {প্রথম প্রকাশঃ ২০১৩। এ পর্যন্ত প্রকাশিত সংখ্যা- ১১টি)

সাহিদা রহমান মুন্নীর লেখা কবিতা পড়ুন

ভাল্লাগে না,,
সাহিদা রহমান মুন্নী

প্রকাশকালঃ ১৫.০৯.২০২০

পদ্মপাতার টলের জলে,
মনটা তো আর টলে না-
মুখটা বলে মুখের কথা,
মনের কথা বলে না!
ইচ্ছে গুলো নীম তেঁতো আজ,
লেবুর রসেও রুচি নাই-
চলছে জীবন নিয়মমাফিক,
যদিও জীবন সূচি নাই!
ভাল্লাগে না ভাল্লাগে না,
হাওয়ায় মাতম শোনা যায়-
থমকে যাওয়া প্রহর গুলো,
আঙুল দাগেও গোনা যায়!

আজোব,,,
সাহিদা রহমান মুন্নী

প্রকাশকালঃ ২৯-০৭-২০২০

তাজ্জব দেশে বাস করি ভাই,
আজ্জব যতো কান্ড –
চামচা চেলা কামলা নেতার,
লুটছে দেশের ভান্ড!

মহৎ পেশায় অসৎ ঘুণে
বসত করে আজ-
টাকা খেকো দানব দেখে,
লজ্জাও পায় লাজ!

মহামারীর করুণ ক্ষনেও,
হয়না ওদের হুঁশ-
রক্ত চোষা হায়না শকুন,
গিলছে কালো ঘুষ !

আজোব এদেশ আজোব মানুষ,
বিবেক শূন্য দেহ-
পশুর আপন হাজার পশু,
নাই মানুষের কেহ!!

তেলেসমাতি,,,
সাহিদা রহমান মুন্নী

প্রকাশকালঃ ১৬-০৭-২০২০

হাসবো নাকি কাঁদবরে ভাই,,
সাহেদ বাবুর কারনামায়-
সিরিজ ভিলেন,ফটকা হীরো,
সব কিছুকেই হারমানায়!

মদদ ছাড়া হয়নি সাহেদ,
জীরো থেকে কিং-
যতোই দেখাও আটক নাটক,
হাতকড়া ঐ রিং!

কোটে পাবে ডিভিশন,
জামাই সোহাগ খাতির-
ইহাই হলো ডিজিটাল,
খেলা তেলেসমাতির !

কেউ কি’তা বলবে?
সাহিদা রহমান মুন্নী

প্রকাশকালঃ ১৪-০৭-২০২০

রক্ষক- ই -ভক্ষক,
কে করবে রক্ষা-
চারিদিকে মহামারি,
মহারোগ যক্ষা!!
নেতা কাঁশে খুক খুক,
নড়বড় চেয়ারে –
দেশ আজ লুটছে,
মন্ত্রীরা শেয়ারে!!
দিদি আর দাদা রোজ,
লেগে আছে চেষ্টায় –
তেল মাখা চ্যালা গুলো,
গিলে খায় দেশটায়!!
খুন গুম আজ যেনো,
ছেলে খেলা মনেহয় –
ভূত সর্ষেতে না,
ভূত ঘর কোনেরয়!!
এর দোষ ওর ঘাড়ে,
আর কতো চলবে-
শেষ হবে আর কবে,
কেউ কি’তা বলবে!!!?

মা তুমি আমার মা

” মায়ের একধার দুধের দাম,কাটিয়া গায়ের চাম
পা পোস বানাইলেও ঋনের শোধ হবেনা —-”

মা, পৃথিবীতে সবচেয়ে ছোট শব্দ কিন্তু সব চেয়ে গভীরতম শব্দ, যার ব্যপ্তি বিশ্বজোড়া । যার সৌন্দয স্বগীয়সম ।মা, যার সবকিছুতেই এক অন্যরকম ভালোলাগা বিরাজমান । মা’র কথা, মা’র হাসি,মা’র আদোর-শাষন কি নেই যা আন্দোলিত করেনা । মা’বলে ডাকতে পারলেও যেনো এক অনোবদ্ধ মুগ্ধতা ছুয়ে যায় অন্তর থেকে বাহিরে–। মা’ চীরসবুজ একটি ডাক, চিরসত্য একটি আনন্দধারা । মা’ আছে বলেই ভালোলাগায় ছেয়ে থাকে চারিপাশ ।

শত ক্লান্তিতে যখন থেমে যায় পদোচ্চারন তখন মা’ যদি একবার স্নেহের ছোয়ায় হাত বুলান, বিদ্যুত শক্তির মতো যেনো নতুনভাবে সোচ্চার হয়ে উঠি-মা’ সন্তানের আগুয়ান পথে দীপ্ত চালিকা শক্তি । জীবনের ব্যস্ততায় বাইরের জগতের কাজের শেষে যখন বাসায় ফিরি আর আমার মায়ের মুখ দেখি,ম্যাজিকের মতো দূর হয়ে যায় আমার সব ক্লান্তির বলিরেখা গুলো । মা’ অন্ধকার ঘরে যেনো আলো ঝলমল বাতি ।যার ছায়াতলে আমি বারবার আলোকিত হই । মা’ জন্মের পূ`ব থেকেই একটু একটু করে নিজেকে বিলিন করে দেয় সন্তানের মঙ্গলবারতার খোঁজে ।

যখন পদোদলিত হই স্বাথবাদি এ সমাজের বাঁকা রোষানলে তখন ‘মা’ তার আদশের মন্ত্রে – আমার বিদ্ধস্ত মানুষিক যনত্রনা গুলো হাওয়ার মতো উড়িয়ে দেন । মা’আমার সারাদিনমানের এক অবিচ্ছেদ্দ অংশ ।আমি যা আমার ভিতরে রপ্ত করেছি তা সবি আমার মায়ের কারনেই । মা’ সব কাজে সবার আগে উৎসাহের ঝান্ডা হাতে উৎসাহিত করে যান ।শিক্ষা নাওয়া-খাওয়া পড়াশুনা সামাজিকতা,সেবা, আর শ্রেষ্ঠ নিভরতম বন্ধুত্বে মা’ যেনো এক অতুলনীয় ভুমিকায় সন্তানের জীবনে বিরাজমান ।সবভাবেই সন্তানের মঙ্গল ই যেনো তাঁর ব্রত । অথচ অনেক এমন কুলাঙ্গার সস্তান আছে যারা এই মা’ কে ফেলে আসে বৃদ্ধাশ্রমে কিংবা অনাদরে অবহেলায় ফেলে রাখে ঘরের চিপা এক কামরায় নষট হওয়া আসবাব পএের মতো !

তাঁর চশমার ফ্রেম ,ঔষধ, কিংবা ভালো একটা শাড়ী তা কিনতে যনো দেউলিয় হয়ে যায় অনেক স্বাবলম্বি সন্তান !মা’র জন্য কিছু কিনবে তাতে যেনো মাথায় বাঁজ পরে! অথচ স্এী সন্তান নিয়ে হলিডে ,রেস্টুরেন্টে খাবার, বন্ধু নিয়ে আড্ডা,বৌয়ের শত আবদার তাতে যেনো উপচে পরে টাকার ফুলঝরি । অথচ এই সস্তান যখন জানান দেয় সে আসবে–আসছে ঠিক তখন থেকেই মা প্রস্তুত হতে থাকেন এই সন্তানের পরিপূ`ন চাহিদার যোগান দিতে।

যখন জন্ম নেয় তখন এই সন্তান কতইনা অসহায় থাকে,বলতে পারেনা চলতে পারেনা মা তাঁর অনুভব দিয়ে সন্তানের ক্ষুধা অসুস্হতা সব নিবারন করেন ।মা তো ফেলে আসেন না সন্তানকে শিশুআশ্রমে তবে এই মা কন যাবে বৃদ্ধাশ্রমে? মা তুমি শুধু তোমার তুলনা, সন্তানের জন্য তোমার যে ত্যাগ তা কোন সন্তান কোনদিন শোধ করতে পারবে না । মা তুমি আমার মা–যদি চুষ কাগোজ হতে পারতাম যদি এতটুকু ক্ষমতা বিধাতা দিত,তোমায় আমি আকাশের চেয়েও উচ্চাসনে রাজরানী বানিয় বসাতাম–আজিবন তোমার পদোতলে কাটিয়ে দিতাম আমার প্রতিটা নিঃশ্বাস ! মা আমি তোমায় অনেক অনেক বেশি ভালোবাসায় ভালোবাসি ‘মা’ তুমি আমার ‘মা’ ।।

জানিনা,,
সাহিদা রহমান মুন্নী

bangla poem shahida rahman
Shahida-Rahman-Munney

জানিনা কি মায়ায় বেঁধেছো, বেলা অবেলায় কারনে অকারণে
আষ্টে পিষ্টে জড়িয়ে থাকো আমার অষ্টপ্রহর,,,
হাতছানি দিয়ে বারবার তুমি ও তোমার মগ্নতায় শতলোক ছেড়ে সীমাহীন কোনো এক ঊর্ধলোকে আবৃত রাখো আমায় অসীম মুগ্ধতায়,,,
জানিনা কি মায়ায় বেঁধেছো, নিঃশ্বাসের নিবিড়তায় তোমার বাঁধ ভাঙা রুপালি হাসি, স্নিগ্ধ করে আমার চৈতালি প্রহর,,,
তোমার হেঁটে যাওয়া, কথা বলা, সবকিছু খুব বেশি জীবন্ত হয়ে সারাক্ষণ দৃষ্টির করিডোরে বর্তমান থাকে, মত্ত রাখে আমার সমস্ত অনুভব!
জানিনা কি মায়ায় বেঁধেছো,
তুমি ও তোমাতেই সমস্ত সত্তা আমার অনুরণিত হয়, উইল করে পাওয়া সম্পত্তির মতো তুমি ও তোমাতেই আমার সমস্ত চিন্তাশক্তি উজ্জ্বীবিত হয় নিত্য নতুন করে,,, জানিনা কি মায়ায় বেঁধেছো–!!

বৃষ্টি —
সাহিদা রহমান মুন্নী

গুড়িগুড়ি ঝড়ছে বারি,
ঐনা দূরের আকাশে –
ঝিড়িঝিড়ি মৃদুলা সুর,
বাজায় বাঁশী বাতাসে!!
কে যেনো কি বার্তা পাঠায়,
মিঠা বাওয়ের বৃষ্টিতে –
কি জানি কি মন্ত্র মায়ায়,
অজানা কোন সৃষ্টিতে!!

পরে?
সাহিদা রহমান মুন্নী

আপন করলে আপন বললে,
আপন মানুষ হয়না-
একটা মানুষ একটা জীবন,
আপন কভুও রয়না!
স্বার্থ নিয়ে কাছে আসে,
স্বার্থ শেষেই দূর –
পুড়ছো তুমি মুখোশ পরে,
সুখের সিসিম পুর!
আগা গোড়ায় সবটা গলদ,
মানবতায় ঘুন –
করছো লিলায় নিঠুর খেলায়,
রাত দুপুরে খুন!
ফানুস তুমি মানুষ হবে,
ফিরবে আপন ঘরে –
আর কতোটা বছর যাবে,
কিংবা জনম পরে–?

আমি কোনো—-
সাহিদা রহমান মুন্নী

আমি কোনো রঙ চিনি না,
লাল নীল সবুজ বেগুনী আকাশী কিংবা সাদা কালো, কোনো রঙ রাঙাতে পারে না,বিবর্ণ এই মন,,
ধুম্র ধুসর তম্র ছায়ায় আচ্ছাদিত হৃদয়ের অলি গলি,,,
আমি কোনো রঙ চিনি না,
ভালো লাগেনা কোনো রঙ, সূর্য রাঙা সোনালী সকাল নিকস রাত্রির আবরনে টেনে নিয়ে যায়
দূর থেকে দূরে সীমাহীন কোনো এক ঊর্ধলোকে! হেরে যাই জিতে যাওয়া বাজি! অস্তিত্বের খোঁজে দিগ্বিদিক হারিয়ে যায় চেনা মানুষ গুলো অচেনা মুখের অন্তর্বাসে—-
আমি কোনো রঙ চিনি না, সময়ের করুণ প্রহারে অবরুদ্ধ সকল প্রত্যাশা, নিস্তেজ আজ চেনা পৃথিবী অচেনা ছোবলে, আমি কোনো রঙ চিনি না—!

হায় কবে !!
সাহিদা রহমান মুন্নী

করোনার ছোবলে,
বিশ্বের নেই ঘুম-
চাল চুরি, দুর্নীতি,
নিত্য নতুন ধুম!

অসহায় অবলার,
থাবা দেয় খাবারে-
অনুদান অফুরান
সেলফীর বাহারে!

মন থেকে হীনতা,
আর কবে ভাগবে-
বিবেক’টা এ’জাতির,
হায় কবে জাগবে!

কেগো তুমি কে?
সাহিদা রহমান মুন্নী

একটু থামি একটু ভাবি,
স্বপ্ন তুমি কল্প চাবি,
কেগো তুমি কে-
হাসতে বলো বাসতে ঢলো
তোমার কাছে আসতে বলো
সে’কি তুমি সে?
আমার হতে আমায় নিয়ে
পাল তুলেছ নাও ভিড়িয়ে
কেগো তুমি কে –
এক পলকের একটু দেখা
বদলে দিলে ভাগ্য রেখা
সে’কি তুমি সে!!?
জীবন থেকে আর জীবনে
বিরাণ সবি তুম বিহনে
কেগো তুমি কে-
সত্যি তুমি নওকি ছায়া
ছবির মতো অলিক মায়া
এ’কি তুমি সে??

বৈশাখ আসবে,,,
সাহিদা রহমান মুন্নী

নাই কোনো ঢাক ঢোল,
উৎসব কলরব-
করোনা ভাইরাসে,
নিস্প্রাণ লাগে সব!

বাতাসে রঙ নেই,
মলিনতা আকাশে-
এবারের বৈশাখে,
সবকিছু ফ্যাকাশে!

শাড়ি নেই চুড়ি নেই,
বেলী নেই খোঁপাতে-
লাল নীল নেই টিপ,
ফুল নেই ঝোঁপাতে!

দূরে থেকে ভালোবাসা,
লেনদেন হৃদয়ের –
ঘরে থাকি ভালো রাখি,
স্বপ্ন’টা বিজয়ের!

করোনার বিদায়ে,
বিশ্ব’টা হাসবে-
সেই দিন ঠিক ঠিক,
বৈশাখ আসবে!!

bangla poem shahida rahman

সব দিন না!

bangla poem shahida rahman
Shahida-rahman-munney

কোন কোন দিন মন খারাপ হয়,
সব দিন না –
কোন কোন দিন হারিয়েও রয়,
সব দিন না !
কোন কোন দিন নিজের অজান্তেই ভুল করি খুব,
সব দিন না-
কোন কোন দিন কষ্টের সাতকাহনে চুপিসারে দেই ডুব,
সব দিন না!

কোন কোন দিন হাসি,
সব দিন না –
কোন কোন দিন শূন্যে ভাসি,
সব দিন না!
কোন কোন দিন ভালোকেও মন্দ লাগে মন্দকেও ভালো,
সব দিন না –
কোন কোন দিন নিকষ আঁধারেখুঁজেপাই সফেদ আলো,
সব দিন না!

কোন কোনদিন চা আর কফির চুমুকেশুনি শতাব্দীর গান,
সব দিন না-
কোন কোন দিন অধরা বাঁশির সুরে উন্মাদ হয় জান,
সব দিন না!
কোন কোন দিন বালুকা বেলায় নূপুরহিন হাঁটতে মন চায়,
সব দিন না –
কোন কোন দিন নোনা জলের নদী সাগর হয়ে যায়,
সব দিন না!

কোনকোনদিন গুনভাগযোগকরে অংকেরহিসেব মিলেনা,
সব দিন না –
দূরে থেকেও ছিলে কাছে অথচ কাছে থেকেও ছিলেনা,
সব দিন না!
আমার চেতন সাধন এবং প্রিয়জন,তুমি ছাড়া কেউ?
এমন, কোনদিন না-
অচেতন অভিমানে অহেতুককষ্টবানে ঝড়তুলে শান্ত ঢেউ,
সব দিন না!!!

শূন্য সবি
সাহিদা রহমান মুন্নী

যে ডাল ধরি ভাঙ্গে সে ডাল,
এমন করে আরকতো –
স্বপ্ন কলি দু’পায় ডলি,
স্বপ্ন মরে আরযতো!!
স্বপ্নবাজ এক দস্যি আমি,
তবুও দেখি স্বপ্ন রোজ –
সোনার হরিণ খুঁজছি তবু,
যদিও আজো হয়নি খোঁজ!!
জানিনা কোন্ ইন্দ্র সাধন,
মুছবে চোখের জল –
পাওয়ার আগেই শুন্য সবি,
প্রাপ্তি খাতার ফল!!!

bangla poem shahida rahman

তবুও
সাহিদা রহমান মুন্নী

তোমার জন্য কাঁদছি আমি,
আমার জন্য কেউ –
হাসির বদল হেসে কিনি,
অথৈ নোনা ঢেউ!!
ফুল ভাবি’যা ভুল যেনো’তা,
যা পাই তা চাইনা –
মধু বিষে সুধা কিসে,
ফারাক কিছু পাইনা!!
ত্রিকোণ খেলায় সারা বেলায়,
কেউ কাঁদি কেউ হাসি –
পাইবা না’পাই, পাবো আশায়,
তবুও ভালোবাসি!!

আসবে কবে
সাহিদা রহমান মুন্নী

আসলে কাছে বসলে পাশে,
আপনতো কেউ হয়না –
আপন বলি আপন করি,
আপনতো কেউ রয়না!
কোথায় বাবা কোথায় মা,
কোথায় বোনের ভাই –
তুচ্ছ ডোরে বাঁধা সবই,
ভিত্তি কিছুই নাই!
সম্পর্ক আজ বোঝা যেনো,
কে নেবে কার দায় –
অস্থিরতা দিন থেকে রাত,
সুখ পাখি দূর যায়!
স্বার্থবাদি ফানুস রূপে,
মানুষ করে বাস –
রক্তস্রোতে বহতা দেহে,
দস্যু করে চাষ!
কোথায় আছে সত্যি মানুষ,
কোনসে রুপের দেশে –
আসবে কবে মিলবে সে’জন,
কয়টা জীবন শেষে!!?

মন
সাহিদা রহমান মুন্নী

bangla poem shahida rahman
Shahida-Rahman-Munney

মনের মতো মন পেয়েছে,
কে বলোনা কবে –
খুঁজতে গিয়ে হোঁচট খেল,
যে খুঁজেছে যবে!
আকাশ পাতাল তন্ন করে,
খুঁজছে সবাই মন –
একটা জীবন তুচ্ছ অতি,
খুঁজতে প্রিয় জন!
ফরমালিনে রাখছে জিইয়ে,
পঁচা মনের নষ্ট ভীত –
মনের মতন মন চাওয়াটা,
হারের কাছে হারের জিত!!

কিন্তু
সাহিদা রহমান মুন্নী

কলম আমার রুদ্ধ করে,
ক্রুদ্ধ করেছ শ্বাস –
তবুও বলব লড়ব আরো –
জীবন বোধের ত্রাস!!
খুন গুম আর লুটের দেশে,
ঘুন ধরেছে সুখে –
নেতা আছে জেতার রেষে,
কে দাঁড়াবে রুখে!!
আজব দেশে তাজ্জব মিয়া,
নাটক লেখে রোজ –
হায়রে হায় সোনার দেশে
পিতলও নাই খোঁজ!!
হাকিম হয়ে দিচ্ছে হুকুম,
মুখোশ পরে যিনি –
কেউ জানেনা চিনেনা কেউ,
কিন্তু সবাই চিনি!!

bangla poem shahida rahman

মনের পশু
সাহিদা রহমান মুন্নী

বনের পশু করছো জবাই,
মনের পশু পুষছ-
নিজের বেলায় সাজছ সাধু,
পরকে দোষে দুষছ!
স্বার্থ বলে অন্ধ হয়ে,
বন্ধ রাখো আলো-
পরের ভালোয় কেন এতো,
আগুন মনে জালো!
ঈর্ষা দিয়ে হয়কি বলো,
কেবল বাড়ে পাপ –
মনের পশু দমন করে,
কমাও অভিশাপ!
বনের পশু বনেই থাকুক,
মনের পশু দুরাই –
আত্ম ত্যাগী মানুষ হয়ে,
সবার জালা জুড়াই!

নান্টু সোনা
সাহিদা রহমান মুন্নী

ছাগল গরু দুম্বা খাসী,
পাইলে নেবে উট-
নান্টু সোনা চাঁদেরকণা,
কিনবে চানা বুট!
এ ডাল থেকে ও ডাল থেকে,
কত্তো পাতা ছিড়ে-
গমের গুড়া ধানের ভুষি,
ভাঁজছে মুড়ি চিড়ে!
নান্টু সোনা হাটে যাবে,
এত্তো আয়োজন –
রকেট কিবা উড়োপাখি,
বড্ড প্রয়োজন!
হায়রে কপাল নান্টু সোনা,
ভাব ধরেছে এমন-
করবে এবার বিশাল কিছু,
কেউ করেনি যেমন!!!

চান্দি ছেলা- প্যারোডি লেখা
সাহিদা রহমান মুন্নী

ঘুঘু দেখেছ ফাঁদ দেখোনি,
দেখবে দু’দিন বাদে-
থাকবে না চুল যে’কটা আছে
চান্দি ছেলা ছাদে !
তুমি নও শুধু কাজের কাজী,
ল্যাং মেরে যাওয়া খেলোয়াড়-
সেরের উপর সোয়া সের থাকে,
বুঝবে বাবা দেলোয়াড় !
কি হবে উপায় ভেবে মরি হায়,
লাগছে হাসি খুব-
কোন অালোতে লুকাবে বলো,
কোন জলে দেবে ডুব !?
মজা পাও তুমি মামলা নিয়ে,
জিডি নিয়ে করো খেল-
জমবে খেলা শেষের বেলা,
ভাঙবে যখন বেল !!

bangla poem shahida rahman

খেয়ালী খেয়াল
সাহিদা রহমান মুন্নী

bangla poem shahida rahman
Shahida-rahman-munney

পড়াশুনায় মন বসে না,
ভাল্ লাগেনা কিছু-
ইচ্ছে করে ডানা মেলে,
উড়ি মেঘের পিছু!
কখনো’বা ইচ্ছে করে,
পুকুর ধারে যাই-
নূপুর পায়ে জল জড়িয়ে,
খেয়ালী গান গাই!
শাষণ- বারণ বন্দি- জীবন,
বড্ড মেজাজ চটে-
নীল আকাশ আর সবুজ ছায়া,
স্বপ্ন হৃদয় পটে!
আমার আছে সবুজ শহর,
যেথায় করি বাস-
খেয়ালী মনের খেয়াল নিয়ে,
বসত বারো মাস!!

নাও!!
সাহিদা রহমান মুন্নী

মনের ভেতর নিবিড় মায়ায়,
হাতের কাছে পাইনা –
ইচ্ছে হলেই বাড়িয়ে দু’হাত,
একটু ছুঁয়ে যাইনা!!
কেমন তরো রক্ত ক্ষরণ,
কেউ দেখেনা চোখে-
কষ্ট ব্যাথায় নষ্ট সময়,
তবুও হাসি মোখে!
অবুঝ মনের সবুজ চাওয়া,
আর থেকো না দূরে –
বাঁচাও আমায় হাসাও আমায়,
সুুখ নীলিমার নূরে!
কল্প লোকের মৌন দেয়াল,
এবার ভেঙে দাও-
আমার আমায় চীর জীবন,
তোমার করে নাও!!

চোখ দেখলে ভয় পাই!!

নিজের সাথে নিজেই যেন হেরে যাচ্ছি,
বাক যুদ্ধে বাক বিতর্কে বারংবার,
আমার আমিত্ব একাত্ব কেড়ে নেয়ার নাম’ই কি
পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্তি
যাকে বলে স্বাধীনতা!

বড় বেশি ঘেন্না হচ্ছে, কান্না পাচ্ছে!
যদি অসমীচিন না হয়
তবে দুটো রঙের সংমিশ্রণকেই তো
স্বাধীনতা বলে – বলে না?
আমার চারিপাশে আজ দেখছি,
হাজার রঙের হাজার ভাষায় স্বাধীনতা
হনন করার নাম স্বাধীনতা,

গোপন করার নাম স্বাধীনতা,
দিন দুপুরে পুড়িয়ে মারার নাম স্বাধীনতা,
খুন,গুম, টেন্ডারবাজির নাম স্বাধীনতা,
শিক্ষক লাঞ্ছিত করার নাম স্বাধীনতা,
শিশুশ্রম,বিদ্ধাশ্রমের নাম স্বাধীনতা,
ক্ষমতার লোভে অমানুষ হওয়ার নাম স্বাধীনতা,

নারী ধর্ষণ, শিশু ধর্ষণ,মানব পাচারের নাম স্বাধীনতা,
ফেইসবুকে বেহায়াপনার নাম স্বাধীনতা,
ফেইক আইডি,ফেইক ভালোবাসার নাম স্বাধীনতা,
পরকিয়ার গড্ডালিকা প্রবাহে গা ভাসানোর নাম স্বাধীনতা,
তেল, গ্যাস,পানি, বিদ্যুৎ, বাড়ি ভাড়া তথা নিত্য প্রয়োজনীয় সকল কিছুর দাম ঠুনকো ছুতোয় বাড়িয়ে দেয়ার নাম স্বাধীনতা,
বিচারের নামে কুকুর বিড়ালের মতো মানুষ মেরে ক্রসফায়ারের নাম স্বাধীনতা,

ক্রিকেট বিশ্বে দাদাদের চোখ রাঙানির নাম স্বাধীনতা,
যার নাই তার কিছু নাই,যার আছে, তার অনেক থাকার নাম স্বাধীনতা,
জীবিকার তাগিদে প্রিয়জন ছেড়ে নির্বাসিত প্রবাসী জীবনের কষ্টের নাম স্বাধীনতা,
চেয়ার গদির লড়াই বড়াইয়ে আম জনতার তিল তিল স্বপ্ন বিসর্জিত হবার নাম স্বাধীনতা,
একটা একটা করে ডানা থেকে পালক ছিঁড়ে নেয়ার নাম স্বাধীনতা,
আসলে কি স্বাধীনতা, কেন স্বাধীনতা, কোথায় স্বাধীনতা কতদূরে?

আর কতো বিনিদ্র রজনির পর দেখা পাবো, সত্যিকারের স্বাধীনতা!
আর জেগে থাকতে পারছি না,
ক্লান্ত বড় বেশি ক্লান্ত!
হায়েনার মতো লোলুপ দৃষ্টিতে কে,বা কারা যেন কেড়ে নিচ্ছে আমার একান্ত আমিকে!
প্রতি পদে পদে কেড়ে নিচ্ছে আমার ঘুমের স্বাধীনতা,
চলার স্বাধীনতা, বলার স্বাধীনতা!

সেই চোখ থেকে চোখ, হাজার চোখ একহয়ে
ধাওয়া করছে আমাকে,শতলোক ছেড়ে সীমাহীন কোনো এক ঊর্ধলোকে!
প্রায় শ্বাসরুদ্ধ আমি!
এখন কিছুই ভয় লাগেনা,ভয় পাই না, শুধু চোখ দেখলেই ভয় পাই——–!!!

এখোন রাত আসে—
সাহিদা রহমান মুন্নী

এখোন রাত আসে,অবসাদ দেহটা দ্ব্যর্থহিন ভাবে,ঘুমের গর্ভে লেলিয়ে দেবার জন্য নয়,রাত আসে ক্লান্তিহীন এপাশ-ওপাশ চারিপাশ জুড়ে, ভাবনার সফেদ সাদা সমুদ্রের সবটকু সিক্ততায় অবিরাম তোমায় ভাবার জন্যে! এখোন রাত আসে,বিছানার নীথর চাদরে, অসাড় নিজেকে ছড়িয়ে দেবার জন্য নয়, রাত আসে,হাজার কাব্যের মহাকাব্য সূচনায়,তোমার স্বপ্নিল বুকে,আমার অস্তিত্ব খুজেঁ নেবার এতোটুকু আশায়!

এখোন রাত আসে,জীবন থেকে জীবনে সাত-পাঁচ বাহারি অংকের দরকষাকষিতে, বিয়োগ হয়ে যাওয়া কোন সংখ্যার জন্য নয়,
রাত আসে,শুধুই যোগ আর যোগের সংমিশ্রণে বিরাট একটি প্রাপ্তির সূচনায় নিমগ্ন হওয়ার জন্যে!

এখোন রাত আসে,পথের শেষে পথ পাওয়ার জন্য নয়, রাত আসে,কষ্টের সাতকাহনে মোড়া প্রস্ফুটিত গোলাপের সুরভিত সৌরভে মৌনতা চূর্ণ করার জন্য! এখোন রাত আসে,অলিক স্বপ্নের মতো জীবন হরিণের পিছু ছুটে যাবার জন্য নয়, রাত আসে,একটু একটু করে,মৃদু মৃদু পায়ে মৃত্যুর সাথে চিরন্তন আলিঙ্গনের জন্য!!এখোন রাত আসে——

bangla poem shahida rahman

——-??
সাহিদা রহমান মুন্নী

এটা চাই ওটা চাই,
চাই আরো আরো টা-
ঈদ পুজা পার্বণে,
বেজে যায় বারো টা!
সাতদিন সবদিন,
ঈদ কিবা ছুটিতে-
হাত -পা বাঁধা যেন,
হেসেলের খুঁটিতে!
তোমাদের কতো ছুটি,
কতোকিছু আয়োজন –
অন্তত একদিন,
আমাদেরও প্রয়োজন!
রান্নায় কান্না,
গিন্নীর রোজ রোজ –
কেঁদে যায়,রেঁধে যায়,
সাত পদে ভুঁড়ি ভোজ!
এ’কেমন নীতি বলো,
কেউ কি’তা ভাববে-
গিন্নীর ছুটি রবে,
হেয়ালের কাব্যে —-??

!!!!!!!!??
সাহিদা রহমান মুন্নী

bangla poem shahida rahman
Shahida-rahman-munney

ঈদ এসেছে কারো ঘরে,
সবার ঘরে নয়-
সুুখ পাখিটা হয়না সবার,
কারো কারো হয়!!
আধাঁর কালো নিথর রাতের,
আকাশ ভরা তারায়-
কেউবা কাঁদে বিধুর ব্যাথায়,
কেউবা সুখে হারায়!!
কোথাও হাসে কোথাও ভাসে,
মন ছোঁয়’না যেনো-
আগের মতো ঈদের খুশী,
ঈদ হয়না কেনো!!!!!?

ঠিকানা
সাহিদা রহমান মুন্নী

অবশেষে থামলো তুমুল বর্ষণ, কত গর্জনে,তর্জনে, কত আলিঙ্গনের নিপিড়িত নির্যাসে থেমেছে এ কর্ষণ!
ঠিকানা চেয়েছ চারদেয়ালের!মানতেই চাওনি ঠিকানা ছাড়া মানুষ মানুষের হতে পারে-হয়- হয়েছে! চারদেয়ালের ঐ খোদাই করা বর্ণ বিন্যাস কি আমাকে তোমার করবে?ধরো ঠিকানা পেলে, ১০-এ,১২/১৪মিরপুর, নতুন করে যোগ হলো আরো কিছু নতুন মুখ তোমার পরিচয় নামোক বিশাল এ্যালবামে!সখ্যতাও হলো বেশ,শুধু যাকে পাবে বলে ঠিকানা নিয়ে চৈত্রের খরতাপে বর্ষণের ঘনঘটায় বন্যা বইয়ে দিলে,কোথায় সে,পেয়েছ কি তাকে? ঠিকানা মানুষকে পরিধি দেয়না,মানুষ ঠিকানাকে পরিধি দেয়! শত যুক্তিতেও বোঝানো গেলনা তোমায়! পেলেই তো ঠিকানা,কিংবা নিদির্ষ্ট কিছু বর্ণ বিন্যাস! যে ছিলো তোমার আষ্টে-পিষ্টে,শ্বাসে-প্রশ্বাসে–সে কি আছে?দেখোতো হৃদয়ের ডানপাশটা হাতড়ে, পাচ্ছ কি তার স্পন্দন? ঠিকানা-ঠিকানা-ঠিকানা,পেলেই তো ঠিকানা,তবে কেন অশ্রু তোমার চিবুক ছুঁয়ে সিক্ত করছে অহেতুক অবিশ্বাসের বাড়াবাড়িকে!?কেন বিলিন হয়ে গেল মুক্তো দানার মতো অবারিত হাসি?! ১০-এ,১২/১৪মিরপুর।ঠিকানা আমার ঠিকানা হলোনা তোমার —–আক্ষরিক ঠিকানায় সাক্ষরিত হলোনা হৃদয়ের মেলবন্ধন!!!!!

“ইচ্ছের আঙ্গিনায়”
সাহিদা রহমান মুন্নী

আমার মনের বসত ভিটায়,
তোমার বসবাস-
তবুও তোমায় নিত্য হারাই,
বিরাণ বারোমাস!
হালের হাওয়ায় পাল লেগেছে,
এসেছে বৈশাখ –
যুদ্ধ জীবন জোয়ার ভাটের,
ইচ্ছেরা নির্বাক!
নাইবা হলো খোঁপায় গোজা,
শুভ্র বেলি ফুল-
কিংবা রঙিন শাড়ী – চুড়ি,
নাকে নোলক দুল!
তোমার হয়ে স্বপ্ন বাঁচে,
স্বপ্ন মরে রোজ-
সুখ বলয়ে নিছক ছকে,
কে’কার রাখে খোঁজ?
বৈশাখ আসে বৈশাখ মাসে,
বৈশাখ চলে যায় –
ইচ্ছে গুলো গুমরে কাঁদে,
ইচ্ছের আঙিনায়!!

ইন্দ্রজাল
সাহিদা রহমান মুন্নী

মুগ্ধ মায়ায় প্রেমের ছায়ায়,
দিলে যখন ঠাঁই-
চোখের তারায় নিবিড় ভাষায়,
তোমায় কাছে পাই।
দিন চলে যায় দিনের ঘরে,
রাত চলে যায় রাতে –
বন্ধু তুমি রও কাছে রও,
ঘুম হীন আঁখি পাতে ।
একটা প্রহর হাজার বছর,
থাকছো যখন দূরে –
পাখনা গুটায় মনের ময়ূর,
ব্যথার বিধুর সুরে ।
এ’কোন মায়ার ইন্দ্রজালে,
ঘোর তমসায় ভাবি-
তুমি আমার মন্দ ভালো,
স্বপ্ন সুখের চাবি ।।

হতে চাই না,,,
সাহিদা রহমান মুন্নী

কারও শিরোনাম হতে
চাই না
হতে চাই না কারও বেদনার রঙ
যতোটা কষ্ট আমার আমারই থাকুক
সমস্ত দুঃখের দুঃখ নিয়ে
কাঁদুক আ ভয়মার পৃথিবী কাঁদুক।
কারো শিরোনাম হতে চাই না,চাইনা হতে সাক্ষী কারো দেয়া শত নির্ভরতার,কাদুক আমার যন্ত্রনা তোমার দেয়া শত উপেক্ষার গচ্ছিত আমানত হয়ে,
কাদুক আমার পৃথিবী কাদুক,
চাইনা কারো শিরোনাম হতে, হতে চাইনা রাতজাগা চাতক পাখির মতো অচেনা গন্তব্যের পথভ্রষ্ট পথিক হতে,চাইনা পেতে খুঁড়ে খাওয়া দীর্ঘশ্বাসের মাতম জড়িত অলীক ভালোবাসার হাতছানি,,,,
কারো শিরোনাম হতে চাই না
কাদুক আমার পৃথিবী কাদুক আপন যন্রনার যুদ্ধ জয়ের গল্পে—!

খুব প্রয়োজন

প্রকাশকালঃ ২৫-০২-২০১৯

আসি আসি করে তবু,
শীত কেন আসেনা-
ধুত্তুরি মেজাজটা,
হীম সুখে হাসেনা!

মাঝে মাঝে কুয়াশাটা,
হুট করে উঁকি দেয়-
হেসে উঠে মরুমন,
কতোকিছু ঝুঁকি নেয়!

ভাপা পুলি রস ঝুলি,
কতো কিছু মনচায়-
শীত তবু আসেনা,
বাংলার বাগিচায়!

বুঝিনা’তো কোন জ্যাম,
কোন ম্যামে ফেঁসেছে-
গরমটা চান্স পেয়ে,
বাঁকা হাসি হেসেছে!

হাঁচি কাশি নানা ব্যামো,
ঘরে ঘরে বইছে-
দেখে চেয়ে হাসে শীত,
তবু দূরে রইছে!

হৃদয়ের গালিচায়,
কতো কিছু আয়োজন-
ঋতু ভারসাম্যে-
শীত খুব প্রয়োজন!!

খুঁজেই গেলাম

প্রকাশকালঃ ২৪-০২-২০১৯

সবার আমি,আমি সবার,
যেই খানেতে যাই–
কিন্তু আমার আমির বেলায়,
আপন কেহ নাই !

চিত্ত পুড়াই বিত্ত উড়াই,
হাসাই চারিপাশ–
আমার বেলায় সবটা আঁধার,
শুধুই দীর্ঘশ্বাস !

লু হাওয়াতে হাতছানি দেয়,
তীব্র জ্বালার দুখ—
এই আমিটা হায় খুঁজেযাই,
সবার মাঝে সুখ !

হায় অভাগা আমার আমি,
পেলাম নাতো কেউ–
রইলো চোখে জনম জুড়ে,
ব্যথার নোনা ঢেউ !

সবার হলাম সবার রলাম,
সবার হয়ে আছি–
খুঁজেই গেলাম মনের মানুষ,
মনের কাছাকাছি !!

Facebook Comments